বাংলা
Surah আল-ফাজর - Aya count 30
وَٱلشَّفۡعِ وَٱلۡوَتۡرِ ﰂ ﴿٣﴾
وَٱلَّيۡلِ إِذَا يَسۡرِ ﰃ ﴿٤﴾
এবং শপথ রাত্রির যখন তা গত হতে থাকে
هَلۡ فِي ذَٰلِكَ قَسَمٞ لِّذِي حِجۡرٍ ﰄ ﴿٥﴾
এর মধ্যে আছে শপথ জ্ঞানী ব্যক্তির জন্যে।
أَلَمۡ تَرَ كَيۡفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِعَادٍ ﰅ ﴿٦﴾
আপনি কি লক্ষ্য করেননি, আপনার পালনকর্তা আদ বংশের ইরাম গোত্রের সাথে কি আচরণ করেছিলেন,
إِرَمَ ذَاتِ ٱلۡعِمَادِ ﰆ ﴿٧﴾
যাদের দৈহিক গঠন স্তম্ভ ও খুঁটির ন্যায় দীর্ঘ ছিল এবং
ٱلَّتِي لَمۡ يُخۡلَقۡ مِثۡلُهَا فِي ٱلۡبِلَٰدِ ﰇ ﴿٨﴾
যাদের সমান শক্তি ও বলবীর্যে সারা বিশ্বের শহরসমূহে কোন লোক সৃজিত হয়নি
وَثَمُودَ ٱلَّذِينَ جَابُواْ ٱلصَّخۡرَ بِٱلۡوَادِ ﰈ ﴿٩﴾
এবং সামুদ গোত্রের সাথে, যারা উপত্যকায় পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করেছিল।
وَفِرۡعَوۡنَ ذِي ٱلۡأَوۡتَادِ ﰉ ﴿١٠﴾
এবং বহু কীলকের অধিপতি ফেরাউনের সাথে
ٱلَّذِينَ طَغَوۡاْ فِي ٱلۡبِلَٰدِ ﰊ ﴿١١﴾
যারা দেশে সীমালঙ্ঘন করেছিল।
فَأَكۡثَرُواْ فِيهَا ٱلۡفَسَادَ ﰋ ﴿١٢﴾
অতঃপর সেখানে বিস্তর অশান্তি সৃষ্টি করেছিল।
فَصَبَّ عَلَيۡهِمۡ رَبُّكَ سَوۡطَ عَذَابٍ ﰌ ﴿١٣﴾
অতঃপর আপনার পালনকর্তা তাদেরকে শাস্তির কশাঘাত করলেন।
إِنَّ رَبَّكَ لَبِٱلۡمِرۡصَادِ ﰍ ﴿١٤﴾
নিশ্চয় আপনার পালকর্তা সতর্ক দৃষ্টি রাখেন।
فَأَمَّا ٱلۡإِنسَٰنُ إِذَا مَا ٱبۡتَلَىٰهُ رَبُّهُۥ فَأَكۡرَمَهُۥ وَنَعَّمَهُۥ فَيَقُولُ رَبِّيٓ أَكۡرَمَنِ ﰎ ﴿١٥﴾
মানুষ এরূপ যে, যখন তার পালনকর্তা তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর সম্মান ও অনুগ্রহ দান করেন, তখন বলে, আমার পালনকর্তা আমাকে সম্মান দান করেছেন।
وَأَمَّآ إِذَا مَا ٱبۡتَلَىٰهُ فَقَدَرَ عَلَيۡهِ رِزۡقَهُۥ فَيَقُولُ رَبِّيٓ أَهَٰنَنِ ﰏ ﴿١٦﴾
এবং যখন তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর রিযিক সংকুচিত করে দেন, তখন বলেঃ আমার পালনকর্তা আমাকে হেয় করেছেন।
كَلَّاۖ بَل لَّا تُكۡرِمُونَ ٱلۡيَتِيمَ ﰐ ﴿١٧﴾
এটা অমূলক, বরং তোমরা এতীমকে সম্মান কর না।
وَلَا تَحَٰٓضُّونَ عَلَىٰ طَعَامِ ٱلۡمِسۡكِينِ ﰑ ﴿١٨﴾
এবং মিসকীনকে অন্নদানে পরস্পরকে উৎসাহিত কর না।
وَتَأۡكُلُونَ ٱلتُّرَاثَ أَكۡلٗا لَّمّٗا ﰒ ﴿١٩﴾
এবং তোমরা মৃতের ত্যাজ্য সম্পত্তি সম্পূর্ণরূপে কুক্ষিগত করে ফেল
وَتُحِبُّونَ ٱلۡمَالَ حُبّٗا جَمّٗا ﰓ ﴿٢٠﴾
এবং তোমরা ধন-সম্পদকে প্রাণভরে ভালবাস।
كَلَّآۖ إِذَا دُكَّتِ ٱلۡأَرۡضُ دَكّٗا دَكّٗا ﰔ ﴿٢١﴾
এটা অনুচিত। যখন পৃথিবী চুর্ণ-বিচুর্ণ হবে
وَجَآءَ رَبُّكَ وَٱلۡمَلَكُ صَفّٗا صَفّٗا ﰕ ﴿٢٢﴾
এবং আপনার পালনকর্তা ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে উপস্থিত হবেন,
وَجِاْيٓءَ يَوۡمَئِذِۭ بِجَهَنَّمَۚ يَوۡمَئِذٖ يَتَذَكَّرُ ٱلۡإِنسَٰنُ وَأَنَّىٰ لَهُ ٱلذِّكۡرَىٰ ﰖ ﴿٢٣﴾
এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে, সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে?
يَقُولُ يَٰلَيۡتَنِي قَدَّمۡتُ لِحَيَاتِي ﰗ ﴿٢٤﴾
সে বলবেঃ হায়, এ জীবনের জন্যে আমি যদি কিছু অগ্রে প্রেরণ করতাম!
فَيَوۡمَئِذٖ لَّا يُعَذِّبُ عَذَابَهُۥٓ أَحَدٞ ﰘ ﴿٢٥﴾
সেদিন তার শাস্তির মত শাস্তি কেউ দিবে না।
وَلَا يُوثِقُ وَثَاقَهُۥٓ أَحَدٞ ﰙ ﴿٢٦﴾
এবং তার বন্ধনের মত বন্ধন কেউ দিবে না।
يَٰٓأَيَّتُهَا ٱلنَّفۡسُ ٱلۡمُطۡمَئِنَّةُ ﰚ ﴿٢٧﴾
ٱرۡجِعِيٓ إِلَىٰ رَبِّكِ رَاضِيَةٗ مَّرۡضِيَّةٗ ﰛ ﴿٢٨﴾
তুমি তোমার পালনকর্তার নিকট ফিরে যাও সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে।
فَٱدۡخُلِي فِي عِبَٰدِي ﰜ ﴿٢٩﴾
অতঃপর আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও।
وَٱدۡخُلِي جَنَّتِي ﰝ ﴿٣٠﴾
এবং আমার জান্নাতে প্রবেশ কর।